আলমগীর সরকার লিটনের কবিতা--
নতুন মুখ
নতুন মুখের ভিরে আমি হয়ে যাচ্ছি জীবন্তলাশ
অথচ নতুন বাঁশপাতার বাতাস আমাকে স্পর্শ করে না;
সবুজ তারুন্য লতাপাতারও কি পরিবর্তণ যেনো
অপরিচিত মর মর শব্দধ্বণির আর্তনাদ- তারপরও
আমি তোমাদের দলে হাঁটতে চাই!ঐ চাঁদ পূর্ণিমার
রাত জুড়ে- নতুন মুখ আমাকে রাখিও নিভু নিভু –
জোনাক জ্বলাপ্রদীপে কিংবা সোনালি আইলপাথরের
সতদল ঘাসফড়িংএর ডগায়অথবা ইটভাঙ্গা রাস্তার মোড়
তোমরা জানাতে চাইবেনা পূর্বপুরুষের কথামালা
নতুন মুখ পীচনেহাটবে না তবুওসংশয় জীবন্ত লাশনয়
বাঁচতে চায় আরকিছু ক্ষণ শুধুবর্ণমালার পরিচয়
অতঃপর নতুন মুখেরসংশয় হোক নাবিশ্বময়।
অতলস্পর্শ
নিঃশ্বাসের ডগায় থমকে গেছে রঙিলা পৃথিবী!
সাদা, নীল, লাল, সবুজে বর্ণচূড়ার কি যে খেলা-
মাঝে মাঝে অতলস্পর্শ সরিয়ে নিয়ে যায় অদূরে;
তবুও পৃথিবীর আলোকে অতিদর্প দেখি অবেলায়;
কত বক, শালিকের জমাট আর্তনাদ শুনতেহয়েছে,
বুঝোনি- আহত শরীরগন্ধ মিশায় মৃত্তিকায়- অথচ
কি অতিদর্পী হেঁটেই গেলেএক দাবালন মাঠরেখে-
অথৈ সমুদ্রভাসমান যাত্রী কিংবাজোনাকির নিভু
নিভু আলোক জ্যোতি ফুরানো, প্রেমময় দেখবেকে?
বার বার কাছেডাকে এক অতলস্পর্শ মাঠঘাট।
জলক্লান্ত পন্থ
নিত্য ক্ষণে কি জানি এক গন্ধ
তাড়া করে যায়- ভীষণ গন্ধের নিকুঞ্জ আভাস-
সেখানেই শুধু জীবন্ত লাশের বাসর করা বন্ধ;
ভাবনার জ্বলন্ত কুড়ায়- রোজ ক্ষত
বিক্ষত- ভাজা হয় এক চন্দ্র।
তবুও মাঝে মাঝেবিষন্ন মেঘ ভেসেযায়-
অদূর গাঁয় অথবাগাংচিলের বিলে কিংবামেঘলা রাত-
সেখানেও খুঁজে পায়কিছু জীবন্ত লাশেরসংশয়-
আহা কি সহ্যযন্ত্রনার জলক্লান্ত পন্থ-
অতঃপর শেষ হয়েওহলো না শেষক্ষান্ত।
No comments:
Post a Comment